, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বরুড়ায় ফুটপাত দখলবিরোধী অভিযানে স্বস্তি সাধারণ মানুষের বরুড়ায় বাবা-ছেলে গ্রেপ্তার: বাবার বিরুদ্ধে ২৭ মামলা, রয়েছে ৫ বছরের সাজা পরোয়ানা বরুড়ায় জাতীয় যুব দিবস পালিত, যুব উদ্যোক্তাদের মাঝে ঋণের চেক ও প্রশিক্ষণার্থীদের সনদ বিতরণ বরুড়ায় পুলিশের বিশেষ অভিযান: ২০ জন আটক, আদালতে সোপর্দ ৫ বরুড়ায় পিআইবির তিন দিনের কর্মশালা শেষ: সনদ পেলেন ৩৫ সাংবাদিক বরুড়ায় ইউসুফ নামের এক ব্যক্তিকে হত্যার অভিযোগ বরুড়ায় পিআইবির উদ্যোগে মাল্টিমিডিয়া, এআই ও ফ্যাক্ট চেকিং প্রশিক্ষণ শুরু বরুড়ায় এক দফা দাবিতে গামারুয়ায় মানববন্ধন গভীর রাতে বরুড়ায় বসতঘরে ভয়াবহ আগুন, সর্বস্ব হারিয়ে দিশেহারা পরিবার স্বজনহীন শেষ বিদায়: বরুড়ায় মোবারক হোসেন হত্যাকাণ্ডে স্ত্রী-ছেলে-পুত্রবধূ পুলিশ হেফাজতে

কচুয়ায় তথ্য গোপন ও ট্রেড লাইসেন্স স্বাক্ষর জালিয়াতি করে টিসিবি ডিলার নিয়োগের অভিযোগ 

 

কচুয়া উপজেলার কচুয়া উত্তর ইউনিয়নের ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের টিসিবি  ডিলার নিয়োগে তথ্য গোপন, প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্সের স্বাক্ষর জালিয়াতের অভিযোগ উঠেছে।

 

এই ঘটনায় মজুমদার ট্রেডার্স ও মজুমদার স্টোর দুই ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের মালিক বাদী হয়ে নিয়োগ পাওয়া বিতর্কিত আল আকসা ডিলারশিপ বাতিলের জন্য  ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) পরিচালকের বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

 

সরজমিনে গিয়ে জানা গেছে, ইউপি চেয়ারম্যান ও সচিবের স্বাক্ষর জালিয়াতি করে একটি ট্রেড লাইসেন্স তৈরি করেছে আল আকসা মুদি ষ্টোর নামে বিতর্কিত প্রতিষ্ঠান। ওই ভূয়া ট্রেড লাইসেন্সে  ওই ইউনিয়নের সিংড্ডা  বাজারে  ওই প্রতিষ্ঠানের কথা উল্লেখ করলেও সরজমিনে গিয়ে আল আকসা মুদী ষ্টোর নামে কোনো প্রতিষ্ঠানের বাস্তব অস্তিত্বও এলাকায় পাওয়া যায়নি। এই জালিয়াতির বিষয়টি নিয়ে ব্যবসায়ীদের মধ্যে চরম মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

 

অভিযোগকারী মজুমদার ট্রেডার্স প্রোঃ মোঃ ওমর ফারুক ও মজুমদার স্টোর ওসমান গনি মজুমদার জানান, বিতর্কিত আল আকসা মুদী ষ্টোরের স্বত্বাধিকারী আয়েশা বেগম সংশ্লিষ্ট  সরকারি কাগজপত্রে কচুয়া উত্তর ইউনিয়নের  ঠিকানা ব্যবহার করলেও তাদের স্থায়ী বাসস্থান  অন্যত্র। অথচ ইউনিয়ন ভিত্তিক টিসিবি ডিলার নিয়োগে সংশ্লিষ্ট এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা ও ব্যবসায়ী হওয়া অন্যতম শর্ত।

 

অথচ ইউনিয়নভিত্তিক টিসিবি ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা ও ব্যবসায়ী হওয়া অন্যতম প্রধান শর্ত। নিয়োগের নির্ধারিত শর্ত পূরণ না করেই বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপন করে এই ডিলারশিপ নেওয়া হয়েছে। বিষয়টির নিরপেক্ষ তদন্ত, জালিয়াতির সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দ্রুত এই বিতর্কিত ডিলারশিপ  বাতিল করে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ প্রক্রিয়ায় পুনরায় ডিলার নিয়োগের দাবি জানাচ্ছি।

 

ইউনিয়ন পরিষদ জানিয়েছেন, আল আকসা ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন না করে ইউপি চেয়ারম্যান ও সচিবের স্বাক্ষর জালিয়াতি করে ভূয়া ট্রেড লাইসেন্স তৈরি করে টিসিবি ডিলারশিপ নিয়োগের ক্ষেত্রে ব্যবহার করেন। আল আকসা মুদি ষ্টোর নামে যে ভূয়া ট্রেড লাইসেন্স তৈরি করা হয়েছে, ওইটার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা প্রক্রিয়া দিন।

 

টিসিবির বিতর্কিত ডিলারশিপ নিয়োগ পাওয়া আল আকসা মুদি ষ্টোর স্বত্বাধিকার আয়েশা বেগমের ওই ইউনিয়নে খুঁজে না পাওয়ায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

বরুড়ায় ফুটপাত দখলবিরোধী অভিযানে স্বস্তি সাধারণ মানুষের

কচুয়ায় তথ্য গোপন ও ট্রেড লাইসেন্স স্বাক্ষর জালিয়াতি করে টিসিবি ডিলার নিয়োগের অভিযোগ 

প্রকাশের সময় : ০৬:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

 

কচুয়া উপজেলার কচুয়া উত্তর ইউনিয়নের ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের টিসিবি  ডিলার নিয়োগে তথ্য গোপন, প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্সের স্বাক্ষর জালিয়াতের অভিযোগ উঠেছে।

 

এই ঘটনায় মজুমদার ট্রেডার্স ও মজুমদার স্টোর দুই ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের মালিক বাদী হয়ে নিয়োগ পাওয়া বিতর্কিত আল আকসা ডিলারশিপ বাতিলের জন্য  ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) পরিচালকের বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

 

সরজমিনে গিয়ে জানা গেছে, ইউপি চেয়ারম্যান ও সচিবের স্বাক্ষর জালিয়াতি করে একটি ট্রেড লাইসেন্স তৈরি করেছে আল আকসা মুদি ষ্টোর নামে বিতর্কিত প্রতিষ্ঠান। ওই ভূয়া ট্রেড লাইসেন্সে  ওই ইউনিয়নের সিংড্ডা  বাজারে  ওই প্রতিষ্ঠানের কথা উল্লেখ করলেও সরজমিনে গিয়ে আল আকসা মুদী ষ্টোর নামে কোনো প্রতিষ্ঠানের বাস্তব অস্তিত্বও এলাকায় পাওয়া যায়নি। এই জালিয়াতির বিষয়টি নিয়ে ব্যবসায়ীদের মধ্যে চরম মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

 

অভিযোগকারী মজুমদার ট্রেডার্স প্রোঃ মোঃ ওমর ফারুক ও মজুমদার স্টোর ওসমান গনি মজুমদার জানান, বিতর্কিত আল আকসা মুদী ষ্টোরের স্বত্বাধিকারী আয়েশা বেগম সংশ্লিষ্ট  সরকারি কাগজপত্রে কচুয়া উত্তর ইউনিয়নের  ঠিকানা ব্যবহার করলেও তাদের স্থায়ী বাসস্থান  অন্যত্র। অথচ ইউনিয়ন ভিত্তিক টিসিবি ডিলার নিয়োগে সংশ্লিষ্ট এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা ও ব্যবসায়ী হওয়া অন্যতম শর্ত।

 

অথচ ইউনিয়নভিত্তিক টিসিবি ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা ও ব্যবসায়ী হওয়া অন্যতম প্রধান শর্ত। নিয়োগের নির্ধারিত শর্ত পূরণ না করেই বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপন করে এই ডিলারশিপ নেওয়া হয়েছে। বিষয়টির নিরপেক্ষ তদন্ত, জালিয়াতির সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দ্রুত এই বিতর্কিত ডিলারশিপ  বাতিল করে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ প্রক্রিয়ায় পুনরায় ডিলার নিয়োগের দাবি জানাচ্ছি।

 

ইউনিয়ন পরিষদ জানিয়েছেন, আল আকসা ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন না করে ইউপি চেয়ারম্যান ও সচিবের স্বাক্ষর জালিয়াতি করে ভূয়া ট্রেড লাইসেন্স তৈরি করে টিসিবি ডিলারশিপ নিয়োগের ক্ষেত্রে ব্যবহার করেন। আল আকসা মুদি ষ্টোর নামে যে ভূয়া ট্রেড লাইসেন্স তৈরি করা হয়েছে, ওইটার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা প্রক্রিয়া দিন।

 

টিসিবির বিতর্কিত ডিলারশিপ নিয়োগ পাওয়া আল আকসা মুদি ষ্টোর স্বত্বাধিকার আয়েশা বেগমের ওই ইউনিয়নে খুঁজে না পাওয়ায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।