, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
কচুয়ায় গলায় ফাঁস দিয়ে যুবকের আ-ত্ম-হ-ত্যা বরুড়ায় বেপরোয়া চোর চক্র: রাজাপুরে ভিপি মন্নানের বাড়িতে দুঃসাহসিক চুরি কচুয়ার বহু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রতিষ্ঠাতা ও শিক্ষানুরাগী মরহুম নুরুল আজাদের মৃত্যু বার্ষিকী পালিত বরুড়ায় বাকপ্রতিবন্ধী শ্যামলী বেগম দুই দিন ধরে নিখোঁজ বরুড়ায় সরকারি জায়গায় অনুমতি ছাড়াই গাছ কাটার অভিযোগ বরুড়ায় দুস্থ, অসহায় ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে সরকারি সহায়তার চেক বিতরণ কচুয়ায় নূরপুর ল্যাবরেটরি উচ্চ বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ ও প্রিন্টার উপহার দিলেন সভাপতি শাখাওয়াত হোসেন শাক্কু কচুয়ায় স্বপ্নবাজ সংগঠনের উদ্যোগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে ভাবনা আলোচনা সভা   ফজরের নামাজে গিয়ে আর ফেরেননি বরুড়ার আবু তাহের, ৩ দিন ধরে নিখোঁজ বরুড়ায় বিএনপির যৌথ সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত

বরুড়ায় গভীর রাতে ঘরের গ্রিল কেটে ডাকাতি, স্বর্ণালংকারসহ মোবাইল লুট

  • বরুড়া প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : ১০:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬
  • ১১৫৬ পড়া হয়েছে

 

কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার খোশবাস ইউনিয়নের খোশবাস মিয়াজী বাড়িতে গভীর রাতে এক ভয়াবহ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। গ্রিল কেটে ঘরে ঢুকে পরিবারের সবাইকে হাত-পা বেঁধে নগদ টাকা, বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালংকার ও একাধিক মোবাইল ফোন লুট করে নিয়ে গেছে একদল ডাকাত। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারসহ পুরো এলাকা জুড়ে চরম আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতা ছড়িয়ে পড়েছে।

 

​স্থানীয় ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার সূত্রে জানা যায়, সোমবার দিবাগত রাত (মঙ্গলবার) আনুমানিক ২টার দিকে ৯ জনের একটি সশস্ত্র ডাকাত দল খোশবাস মিয়াজী বাড়ির মনির হোসেনের বসতঘরের গ্রিল কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। ডাকাতরা ঘরে ঢুকেই অস্ত্রের মুখে পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে হাত-পা বেঁধে ফেলে। এরপর পুরো ঘর তছনছ করে আনুমানিক ১০ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা এবং ৯টি মোবাইল ফোন লুট করে চম্পট দেয়।

 

​ঘটনার বিবরণ দিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী। স্থানীয়দের অভিযোগ, খোশবাস ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে দীর্ঘদিন ধরেই মাদকসেবী ও বহিরাগত যুবকদের আনাগোনা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। এলাকা থেকে মাদক নির্মূল ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে প্রশাসন কঠোর না হলে এ ধরনের অপরাধ আরও বাড়তে পারে বলে তারা আশঙ্কা করছেন।

 

​এদিকে ঘটনার পর দীর্ঘ সময় পার হলেও পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন কিংবা আলামত সংগ্রহ করেনি বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। আইনগত প্রক্রিয়া শুরু হতে বিলম্ব হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে পুলিশি ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

 

​এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা অবিলম্বে বরুড়া থানা পুলিশের নিয়মিত টহল বৃদ্ধি, মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা এবং ডাকাতিতে জড়িত চক্রটিকে দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।

 

​তবে লুট হওয়া মোট মালামাল ও অর্থের সঠিক হিসাব পুলিশি তদন্তের পরই আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানা গেছে।

জনপ্রিয়

কচুয়ায় গলায় ফাঁস দিয়ে যুবকের আ-ত্ম-হ-ত্যা

বরুড়ায় গভীর রাতে ঘরের গ্রিল কেটে ডাকাতি, স্বর্ণালংকারসহ মোবাইল লুট

প্রকাশের সময় : ১০:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬

 

কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার খোশবাস ইউনিয়নের খোশবাস মিয়াজী বাড়িতে গভীর রাতে এক ভয়াবহ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। গ্রিল কেটে ঘরে ঢুকে পরিবারের সবাইকে হাত-পা বেঁধে নগদ টাকা, বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালংকার ও একাধিক মোবাইল ফোন লুট করে নিয়ে গেছে একদল ডাকাত। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারসহ পুরো এলাকা জুড়ে চরম আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতা ছড়িয়ে পড়েছে।

 

​স্থানীয় ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার সূত্রে জানা যায়, সোমবার দিবাগত রাত (মঙ্গলবার) আনুমানিক ২টার দিকে ৯ জনের একটি সশস্ত্র ডাকাত দল খোশবাস মিয়াজী বাড়ির মনির হোসেনের বসতঘরের গ্রিল কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। ডাকাতরা ঘরে ঢুকেই অস্ত্রের মুখে পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে হাত-পা বেঁধে ফেলে। এরপর পুরো ঘর তছনছ করে আনুমানিক ১০ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা এবং ৯টি মোবাইল ফোন লুট করে চম্পট দেয়।

 

​ঘটনার বিবরণ দিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী। স্থানীয়দের অভিযোগ, খোশবাস ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে দীর্ঘদিন ধরেই মাদকসেবী ও বহিরাগত যুবকদের আনাগোনা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। এলাকা থেকে মাদক নির্মূল ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে প্রশাসন কঠোর না হলে এ ধরনের অপরাধ আরও বাড়তে পারে বলে তারা আশঙ্কা করছেন।

 

​এদিকে ঘটনার পর দীর্ঘ সময় পার হলেও পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন কিংবা আলামত সংগ্রহ করেনি বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। আইনগত প্রক্রিয়া শুরু হতে বিলম্ব হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে পুলিশি ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

 

​এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা অবিলম্বে বরুড়া থানা পুলিশের নিয়মিত টহল বৃদ্ধি, মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা এবং ডাকাতিতে জড়িত চক্রটিকে দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।

 

​তবে লুট হওয়া মোট মালামাল ও অর্থের সঠিক হিসাব পুলিশি তদন্তের পরই আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানা গেছে।