
কুমিল্লার বরুড়া-লালমাই সড়কে গভীর রাতে ডাকাতের কবলে পড়ে সর্বস্ব খুইয়েছেন এক এনজিও কর্মী ও তার স্ত্রী। এ ঘটনায় রাতে সড়কের নিরাপত্তা ও পুলিশের তৎপরতা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে চরম উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
ভুক্তভোগী মোঃ আমিনুল ইসলাম বরুড়া উপজেলার অর্জুনতলায় অবস্থিত সেন্টার ফর ডেভেলপমেন্ট অ্যাসিস্ট্যান্স (সিসিডিএ) -তে লোন অফিসার হিসেবে কর্মরত। তিনি ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট উপজেলার বাসিন্দা, চাকরিসূত্রে বরুড়ায় থাকেন।
বরুড়া থানায় দায়ের করা অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ৭ আগস্ট শুক্রবার আত্মীয় মারা যাওয়ায় স্ত্রীকে নিয়ে নিজ গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহে যান আমিনুল। সেখান থেকে ৯ আগস্ট বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তিনি কর্মস্থল বরুড়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেন।
পথে কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকায় পৌঁছাতে রাত হয়ে যায়। পরে ১০ আগস্ট সোমবার দিবাগত রাত ৩টা ৫০ মিনিটে তিনি পদুয়ার বাজার নুরজাহান হোটেলের সামনে থেকে একটি সিএনজি রিজার্ভ করেন। সিএনজি নং- কুমিল্লা-খ-১২-৩৮৯৮।
সিএনজিটি রাত আনুমানিক ৪টা ২০ মিনিটে বরুড়া উপজেলার ৯নং দক্ষিণ শিলমুড়ি ইউনিয়নের চন্ডিমুড়া রাস্তার উপর পৌঁছালে পেছন থেকে আরেকটি সিএনজিতে আসা ৪/৫ জনের একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দল তাদের সিএনজির গতিরোধ করে।
এ সময় অস্ত্রের ভয়ভীতি দেখিয়ে তাদের কাছ থেকে – একটি Realme মোবাইল ফোন, মূল্য আনুমানিক ৩৩,০০০ টাকা। একটি Redmi Note 10 মোবাইল ফোন, মূল্য আনুমানিক ২১,০০০ টাকা। একটি বাটন Titanic মোবাইল ফোন, মূল্য আনুমানিক ১,০০০ টাকা। নগদ ৩,০০০ টাকা। ভুক্তভোগীর স্ত্রীর গলায় থাকা ৩ আনা ওজনের স্বর্ণের চেইন, মূল্য আনুমানিক ২৫,০০০ টাকা লুট করে নিয়ে যায়। ঘটনার পর ভুক্তভোগীরা সিএনজি নিয়ে ডাকাতদের ধাওয়া করেও তাদের কোনো সন্ধান পাননি।
এ বিষয়ে বরুড়া থানার ওসি তদন্ত সঞ্জয় সরকার বলেন, “অভিযোগ হাতে পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে অপরাধীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

অনলাইন ডেস্ক 





















