, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বরুড়ায় বেপরোয়া চোর চক্র: রাজাপুরে ভিপি মন্নানের বাড়িতে দুঃসাহসিক চুরি কচুয়ার বহু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রতিষ্ঠাতা ও শিক্ষানুরাগী মরহুম নুরুল আজাদের মৃত্যু বার্ষিকী পালিত বরুড়ায় বাকপ্রতিবন্ধী শ্যামলী বেগম দুই দিন ধরে নিখোঁজ বরুড়ায় সরকারি জায়গায় অনুমতি ছাড়াই গাছ কাটার অভিযোগ বরুড়ায় দুস্থ, অসহায় ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে সরকারি সহায়তার চেক বিতরণ কচুয়ায় নূরপুর ল্যাবরেটরি উচ্চ বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ ও প্রিন্টার উপহার দিলেন সভাপতি শাখাওয়াত হোসেন শাক্কু কচুয়ায় স্বপ্নবাজ সংগঠনের উদ্যোগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে ভাবনা আলোচনা সভা   ফজরের নামাজে গিয়ে আর ফেরেননি বরুড়ার আবু তাহের, ৩ দিন ধরে নিখোঁজ বরুড়ায় বিএনপির যৌথ সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত বরুড়ায় পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত

কচুয়ায় পৌরসভার কর্তৃপক্ষের অযত্নে অবহেলায় নষ্ট হচ্ছে কোটি টাকার গাড়িগুলো

 

খোলা আকাশের নিচে রোদে পুড়ে আর বৃষ্টিতে ভিজে নষ্ট হচ্ছে কচুয়া পৌরসভার কোটি টাকার গাড়িগুলো। দীর্ঘদিন ধরে একই জায়গায় অযত্নে অবহেলায় পড়ে থাকায় গাড়িগুলোর দেখার মত কেউ নেই। রক্ষণাবেক্ষণ অভাবে গাড়িগুলোর অধিকাংশ যন্ত্রপাতি চুরি হয়ে গেছে। এগুলো দেখার মতো কোন কর্তৃপক্ষ নেই। প্রথম শ্রেণির পৌর কর্তৃপক্ষের এমন কর্মকাণ্ডে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন কচুয়া উপজেলা ও পৌরসভার সচেতন মানুষ।

 

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক বছরে পৌরসভা কর্তৃপক্ষের অবহেলায় অচল হয়েছে ময়লা ও আবর্জনা বহনকারী একটি ট্রাক। আরেকটি ট্রাক গাড়ি কিছুটা সচল থাকলো, মেরামতের অভাবে পড়ে রয়েছে । তিনটি রোলার মেশিন যার প্রতিটির মূল্য ৩০ লাখ করে প্রায় ৯০ লাখ টাকা, একটি রোলার গাড়ির সচল রয়েছে। বাকি দুইটি রোলার নষ্ট হয়ে মাটিতে মিশে যাচ্ছে। পুরানো ব্যান্ডের একটি দামি জিপ গাড়ি যার মূল্য প্রায় ৮০ লক্ষ টাকা, ওই গাড়িটি অকেজো পরে রয়েছে। পৌরসভায় সরকার কর্তৃক কালো ব্যান্ডের কোটি টাকার গাড়িটি মেরামতের অভাবে অচল হয়ে পরে রয়েছে। এতে প্রায় ২ কোটি টাকার কয়েকটি গাড়ি পৌরসভার কর্তৃপক্ষের রক্ষণাবেক্ষণ অভাবে মাটির সাথে মিশে যাচ্ছে।

 

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পৌরসভার ভিতরে খোলা আকাশের নিচে দুটি রোলার, একটি ট্রাক নষ্ট হয়ে মাটির সাথে মিশে যাচ্ছে। একটি পুরানো ব্যান্ডের কালো জিপ গাড়ি, বড় ট্রাক, একটি রোলার ও মেয়রের চলাচলের গাড়িটি গ্যারেজে পড়ে রয়েছে। রক্ষণাবেক্ষণ ও ধুলো বালি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

 

স্থানীয়রা বলছে, গত কয়েক বছর ধরে এ গাড়িগুলো একই স্থানে পড়ে আছে। মেয়রের যাতায়াতের গাড়িটি ও একটি রোলার ব্যবহার করতে দেখা গেছে। অন্যান্য গাড়িগুলো কখনও একদিনের জন্য পৌরসভার কাজে ব্যবহার হতে দেখেনি কেউ। এছাড়াও গাড়ীগুলো কি কাজে ব্যবহার করা হয় তাও বলতে পারব না।

 

পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মোজাম্মেল হক জানান, তবে আমি এই পৌরসভায় কিছুদিন আগে যোগদান করেছি। এই গাড়ির বিষয়গুলো আমার জানা নেই। এই গাড়িগুলো বিষয় জানতে পারলে, আমি বলতে পারবো।

জনপ্রিয়

বরুড়ায় বেপরোয়া চোর চক্র: রাজাপুরে ভিপি মন্নানের বাড়িতে দুঃসাহসিক চুরি

কচুয়ায় পৌরসভার কর্তৃপক্ষের অযত্নে অবহেলায় নষ্ট হচ্ছে কোটি টাকার গাড়িগুলো

প্রকাশের সময় : ০৭:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট ২০২৬

 

খোলা আকাশের নিচে রোদে পুড়ে আর বৃষ্টিতে ভিজে নষ্ট হচ্ছে কচুয়া পৌরসভার কোটি টাকার গাড়িগুলো। দীর্ঘদিন ধরে একই জায়গায় অযত্নে অবহেলায় পড়ে থাকায় গাড়িগুলোর দেখার মত কেউ নেই। রক্ষণাবেক্ষণ অভাবে গাড়িগুলোর অধিকাংশ যন্ত্রপাতি চুরি হয়ে গেছে। এগুলো দেখার মতো কোন কর্তৃপক্ষ নেই। প্রথম শ্রেণির পৌর কর্তৃপক্ষের এমন কর্মকাণ্ডে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন কচুয়া উপজেলা ও পৌরসভার সচেতন মানুষ।

 

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক বছরে পৌরসভা কর্তৃপক্ষের অবহেলায় অচল হয়েছে ময়লা ও আবর্জনা বহনকারী একটি ট্রাক। আরেকটি ট্রাক গাড়ি কিছুটা সচল থাকলো, মেরামতের অভাবে পড়ে রয়েছে । তিনটি রোলার মেশিন যার প্রতিটির মূল্য ৩০ লাখ করে প্রায় ৯০ লাখ টাকা, একটি রোলার গাড়ির সচল রয়েছে। বাকি দুইটি রোলার নষ্ট হয়ে মাটিতে মিশে যাচ্ছে। পুরানো ব্যান্ডের একটি দামি জিপ গাড়ি যার মূল্য প্রায় ৮০ লক্ষ টাকা, ওই গাড়িটি অকেজো পরে রয়েছে। পৌরসভায় সরকার কর্তৃক কালো ব্যান্ডের কোটি টাকার গাড়িটি মেরামতের অভাবে অচল হয়ে পরে রয়েছে। এতে প্রায় ২ কোটি টাকার কয়েকটি গাড়ি পৌরসভার কর্তৃপক্ষের রক্ষণাবেক্ষণ অভাবে মাটির সাথে মিশে যাচ্ছে।

 

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পৌরসভার ভিতরে খোলা আকাশের নিচে দুটি রোলার, একটি ট্রাক নষ্ট হয়ে মাটির সাথে মিশে যাচ্ছে। একটি পুরানো ব্যান্ডের কালো জিপ গাড়ি, বড় ট্রাক, একটি রোলার ও মেয়রের চলাচলের গাড়িটি গ্যারেজে পড়ে রয়েছে। রক্ষণাবেক্ষণ ও ধুলো বালি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

 

স্থানীয়রা বলছে, গত কয়েক বছর ধরে এ গাড়িগুলো একই স্থানে পড়ে আছে। মেয়রের যাতায়াতের গাড়িটি ও একটি রোলার ব্যবহার করতে দেখা গেছে। অন্যান্য গাড়িগুলো কখনও একদিনের জন্য পৌরসভার কাজে ব্যবহার হতে দেখেনি কেউ। এছাড়াও গাড়ীগুলো কি কাজে ব্যবহার করা হয় তাও বলতে পারব না।

 

পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মোজাম্মেল হক জানান, তবে আমি এই পৌরসভায় কিছুদিন আগে যোগদান করেছি। এই গাড়ির বিষয়গুলো আমার জানা নেই। এই গাড়িগুলো বিষয় জানতে পারলে, আমি বলতে পারবো।