, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বরুড়ায় ফুটপাত দখলবিরোধী অভিযানে স্বস্তি সাধারণ মানুষের বরুড়ায় বাবা-ছেলে গ্রেপ্তার: বাবার বিরুদ্ধে ২৭ মামলা, রয়েছে ৫ বছরের সাজা পরোয়ানা বরুড়ায় জাতীয় যুব দিবস পালিত, যুব উদ্যোক্তাদের মাঝে ঋণের চেক ও প্রশিক্ষণার্থীদের সনদ বিতরণ বরুড়ায় পুলিশের বিশেষ অভিযান: ২০ জন আটক, আদালতে সোপর্দ ৫ বরুড়ায় পিআইবির তিন দিনের কর্মশালা শেষ: সনদ পেলেন ৩৫ সাংবাদিক বরুড়ায় ইউসুফ নামের এক ব্যক্তিকে হত্যার অভিযোগ বরুড়ায় পিআইবির উদ্যোগে মাল্টিমিডিয়া, এআই ও ফ্যাক্ট চেকিং প্রশিক্ষণ শুরু বরুড়ায় এক দফা দাবিতে গামারুয়ায় মানববন্ধন গভীর রাতে বরুড়ায় বসতঘরে ভয়াবহ আগুন, সর্বস্ব হারিয়ে দিশেহারা পরিবার স্বজনহীন শেষ বিদায়: বরুড়ায় মোবারক হোসেন হত্যাকাণ্ডে স্ত্রী-ছেলে-পুত্রবধূ পুলিশ হেফাজতে

ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন হলেও কাজ বন্ধ দুই বছর! বরুড়ার বৈচাপুকুরিয়া-আড্ডা-কচুয়া সড়কে বাড়ছে ভোগান্তি

Oplus_16908290

 

কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বৈচাপুকুরিয়া–আড্ডা বাজার–কচুয়া (চেঃ ৩০০০-১৮০০০ মি:) সড়কের উন্নয়ন কাজ দুই বছর ধরে বন্ধ রয়েছে।

 

২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বন্ধ হয়ে যাওয়া এই গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার কাজ ২০২৬ সালের আগস্ট মাসেও শুরু না হওয়ায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে স্থানীয়দের।

 

এমতাবস্থায় সড়কটির দ্রুত কাজ শুরু করতে বরুড়ার সংসদ সদস্য ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমনের সুদৃষ্টি ও জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) অধীনে বরুড়া উপজেলার এই সড়কটি উন্নয়নের জন্য ২৫ কোটি ৩২ লাখ ৭৫ হাজার ১৬৬ টাকা চুক্তি মূল্য নির্ধারণ করা হয়।

 

তৎকালীন সংসদ সদস্য আবু জাফর মোহাম্মদ শফিউদ্দীন (শামীম) ২০২৪ সালের ৫ জুলাই (২১ আষাঢ় ১৪৩১ বাংলা) এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

 

ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পর কিছুদিন কাজ কিছুটা এগোলেও ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর কাজ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। এরপর থেকে দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেলেও প্রকল্পের আর কোনো অগ্রগতি হয়নি।

 

বৈচাপুকুরিয়া, আড্ডা বাজার ও কচুয়াসংলগ্ন এই সড়কটি ওই এলাকার অর্থনৈতিক ও সামাজিক যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম। প্রতিদিন শত শত ছোট-বড় যানবাহন এবং হাজার হাজার মানুষ এই পথে চলাচল করেন। দীর্ঘ দিন কাজ বন্ধ থাকায় সড়ক জুড়ে গর্ত ও খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে, যা বর্ষায় কাদা এবং শুষ্ক মৌসুমে ধুলাবালিতে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে।

 

স্থানীয় ভুক্তভোগীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, রাজনৈতিক পরিবর্তন হলেও জনস্বার্থের উন্নয়ন কাজ থমকে থাকা কাম্য নয়। সড়কটির বেহাল দশায় প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। তাই তারা বরুড়ার প্রথম মন্ত্রী এবং বর্তমান স্থানীয় সংসদ সদস্য জাকারিয়া তাহের সুমনের বিশেষ দৃষ্টি ও কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করছেন, যেন জনদুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত এলজিইডি কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে রাস্তাটির নির্মাণকাজ পুনরায় শুরু করা হয়।

বরুড়ায় ফুটপাত দখলবিরোধী অভিযানে স্বস্তি সাধারণ মানুষের

ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন হলেও কাজ বন্ধ দুই বছর! বরুড়ার বৈচাপুকুরিয়া-আড্ডা-কচুয়া সড়কে বাড়ছে ভোগান্তি

প্রকাশের সময় : ১০:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ আগস্ট ২০২৬

 

কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বৈচাপুকুরিয়া–আড্ডা বাজার–কচুয়া (চেঃ ৩০০০-১৮০০০ মি:) সড়কের উন্নয়ন কাজ দুই বছর ধরে বন্ধ রয়েছে।

 

২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বন্ধ হয়ে যাওয়া এই গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার কাজ ২০২৬ সালের আগস্ট মাসেও শুরু না হওয়ায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে স্থানীয়দের।

 

এমতাবস্থায় সড়কটির দ্রুত কাজ শুরু করতে বরুড়ার সংসদ সদস্য ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমনের সুদৃষ্টি ও জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) অধীনে বরুড়া উপজেলার এই সড়কটি উন্নয়নের জন্য ২৫ কোটি ৩২ লাখ ৭৫ হাজার ১৬৬ টাকা চুক্তি মূল্য নির্ধারণ করা হয়।

 

তৎকালীন সংসদ সদস্য আবু জাফর মোহাম্মদ শফিউদ্দীন (শামীম) ২০২৪ সালের ৫ জুলাই (২১ আষাঢ় ১৪৩১ বাংলা) এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

 

ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পর কিছুদিন কাজ কিছুটা এগোলেও ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর কাজ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। এরপর থেকে দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেলেও প্রকল্পের আর কোনো অগ্রগতি হয়নি।

 

বৈচাপুকুরিয়া, আড্ডা বাজার ও কচুয়াসংলগ্ন এই সড়কটি ওই এলাকার অর্থনৈতিক ও সামাজিক যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম। প্রতিদিন শত শত ছোট-বড় যানবাহন এবং হাজার হাজার মানুষ এই পথে চলাচল করেন। দীর্ঘ দিন কাজ বন্ধ থাকায় সড়ক জুড়ে গর্ত ও খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে, যা বর্ষায় কাদা এবং শুষ্ক মৌসুমে ধুলাবালিতে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে।

 

স্থানীয় ভুক্তভোগীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, রাজনৈতিক পরিবর্তন হলেও জনস্বার্থের উন্নয়ন কাজ থমকে থাকা কাম্য নয়। সড়কটির বেহাল দশায় প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। তাই তারা বরুড়ার প্রথম মন্ত্রী এবং বর্তমান স্থানীয় সংসদ সদস্য জাকারিয়া তাহের সুমনের বিশেষ দৃষ্টি ও কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করছেন, যেন জনদুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত এলজিইডি কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে রাস্তাটির নির্মাণকাজ পুনরায় শুরু করা হয়।