কুমিল্লার বরুড়ায় সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের চরম অব্যবস্থাপনা ও নিম্নমানের গ্রাহকসেবা নিয়ে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। পার্সেলের গায়ে ও চালানে স্পষ্টভাবে ‘হোম ডেলিভারি’ উল্লেখ থাকা এবং তার নির্দিষ্ট চার্জ পরিশোধ করার পরও কাঙ্ক্ষিত সেবা না পাওয়ার অভিযোগ করছেন ভুক্তভোগী গ্রাহকরা।
স্থানীয় গ্রাহকদের সূত্রে জানা যায়, দূর-দূরান্ত থেকে আসা পার্সেল বা পণ্য বরুড়া শাখায় পৌঁছানোর পর কুরিয়ার অফিস থেকে গ্রাহকের নম্বরে ফোন করে বলা হয় “অফিসে এসে পার্সেল নিয়ে যান।”
অথচ বুকিংয়ের সময় হোম ডেলিভারির পুরো সার্ভিস চার্জ গ্রাহকের কাছ থেকে আগেভাগেই আদায় করা হয়। ভুক্তভোগীদের প্রশ্ন, পুরো চার্জ দেওয়া সত্ত্বেও যদি অফিসে গিয়েই পার্সেল সংগ্রহ করতে হয়, তবে ‘হোম ডেলিভারি’ সেবার কথা বলে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়া হচ্ছে কেন?
সেবাগ্রহীতাদের মতে, একটি সুপরিচিত প্রতিষ্ঠানের সুনাম শুধু প্রচার-প্রচারণা বা বিজ্ঞাপনেই সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়। গ্রাহককে দেওয়া প্রতিশ্রুতি কতটা বাস্তবায়িত হচ্ছে, তার ওপরই প্রতিষ্ঠানের মান ও বিশ্বাসযোগ্যতা নির্ভর করে। ডেলিভারি চার্জ নেওয়ার পর পণ্য পৌঁছে না দিয়ে গ্রাহককে অফিসে ডেকে আনা এক ধরনের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ ও চরম দায়িত্বজ্ঞানহীনতা।
বরুড়া সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের এই খামখেয়ালিপনা ও অব্যবস্থাপনায় ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা। এ অবস্থায় গ্রাহকসেবার মান নিশ্চিত করতে এবং ‘হোম ডেলিভারি’ সুবিধা সচল করতে সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা।